শীতকাল ও গ্রীষ্মকাল কিভাবে তৈরি হয়

 শীতকাল কিভাবে আসে?  বা গীষ্মকাল কিভাবে আসে

আমরা জানি বাংলাদেশ ষড়ঋতুর দেশ। বাংলাদেশের ছয়টি  ঋতু কী কী?  গ্রীষ্ম,বর্ষা,শরৎ,হেমন্ত, শীত ও বসন্ত। এই ঋতুর পরিবর্তন কেন হয়? কেন শীত কাল আসে?বা কেন শীত শীত লাগে?কেন শীত হয় আমরা জানি পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে আবর্তনশীল বা প্রদক্ষিণ করছে। সূর্যের চারিদিকে একবার ঘুরে আসতে ১ বছর সময় লাগে। একে পৃথিবীর বার্ষিক গতি বলা হয়। তাহলে সমস্যায় কোথায়? শীতকাল বা গরমকাল হওয়ার কারণ কি? কারন হলো,পৃথিবী  সূর্যকে প্রদক্ষিণ করার সময় একটু হেলে ঘোরে। পুরোপুরি বৃত্তাকারে বা চক্রাকারে ঘোরে না।যখন পৃথিবীর যে অংশ সূর্যের দিকে হেলে থাকে সেই অংশে সূর্যের আলো তীর্যকভাবে পড়ে ফলে তখন গ্রীষ্মকাল বা গরম কাল আসে। আর একই সময় পৃথিবীর বিপরীত অংশে সূর্যের আলো ও তাপ কম পৌছাতে পারে ফলে তখন সেই অংশে শীতকালের সৃষ্টি হয়। যেমন বাংলাদেশ  উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত। নভেম্বর, ডিসেম্বর ও জানুয়ারীতে পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে কম আলো ও তাপ আসে ফলে এই অংশে শীতকাল তৈরি হয়।কিন্তু একই সময় পৃথিবীর দক্ষিণ গোলার্ধে অর্থাৎ অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকাতে গ্রীষ্মকাল। অর্থাৎ নভেম্বর, ডিসেম্বর, ও জানুয়ারীতে দক্ষিণ গোলার্ধ সূর্যের দিকে হেলে ঘোরে। তো আমরা জানলাম কিভাবে শীতকাল আসে ও কিভাবে গ্রীষ্মকাল বা গরমকাল আসে?কেন গ্রীষ্মের সময় প্রচুর গরম পড়ে।এর  মাঝামাঝি সময়ে বাকী চার ঋতুর সৃষ্টি হয়। তাহলে আমরা আরো জানতে পারলাম সূর্যকে প্রদক্ষিণকালে পৃথিবীর বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ঋতুর পরিবর্তন ঘটে।পৃথিবীর কোন দেশ সূর্যের কোন পজিশন নিয়ে ঘুরছে তার উপর নির্ভর সেই দেশের আবহাওয়া। 

 

লেখক: আব্দুর রহমান শিপুল 

Previous Post Next Post