ভেপার এবজরপশন রেফ্রিজারেশন সিস্টেম চিলার

ভেপার এবজরপশন সিস্টেম


 ভেপার এবজরপশন সিস্টেম এর প্রধান প্রধান অংশগুলো 

১. জেনারেটর 

২. সেপারেটর

৩. কন্ডেন্সার

৪. ইভাপোরেটর

৫. থ্রোটল ভালভ

৬. এবজরবার


ভেপার এবজরপশন সিস্টেম চিলার এর কার্যপ্রণালী


ভেপার এবজরপশন সিস্টেম চিলারে কম্প্রেশর ব্যবহার হয় না।এর পরিবর্তে জেনারেটর ও এবজরবার ব্যবহার করা হয়।এবজরবার সিস্টেমে লিথিয়াম ব্রোমাইড+ পানি  (LiBr+H2O)অথবা (NH3+H2O) অ্যামোনিয়+পানি   এর সলিউশন ব্যবহার হয়। যেসব চিলারে লিথিয়াম ব্রোমাইড ব্যবহার হয় সেখানে লিথিয়াম এবজরবেন্ট ও পানি রেফ্রিজারেন্ট হিসাবে কাজ করে।আর যেসব সিস্টেমে অ্যামোনিয়া ব্যবহার হয় সেখানে  অ্যামোনিয়া রেফ্রিজারেন্ট এবং পানি এবজরবেন্ট হিসাবে কাজ করে।তো ধরাযাক আমরা অ্যামোনিয়া+পানি এবজরবারে ব্যবহার করব।তো প্রথমে পানি ও অ্যামোনিয়া সলিউশন পাম্পের মাধ্যমে হিট এক্সচেঞ্জারে আসবে। সেখান থেকে যাবে জেনারেটরে।জেনারেটরে বাইরে সোর্স (যেমন, স্টীম,বার্নার) হিট দেয়া হয়।অ্যামোনিয়া বাষ্প হয়ে চলে যায় কন্ডেন্সারে আর দূর্বল সলিউশন ফিরে যায় এবজরবার ট্যাংকে।তো বাষ্পীয় অ্যমোনিয়া রেফ্রিজারেন্ট কন্ডেন্সারে গিয়ে  তাপ হারায় এবং লিকুইডে পরিণত হয়।উচ্চ চাপের লিকুইড অ্যামোনিয়াম এক্সপানশন ভালভ দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ চাপ ও তাপ হারায়।কম চাপে শীতল লিকুইড অ্যামোনিয়া এভাপোরেটর হয়ে আবার এবজরবার ট্যাংকে গিয়ে পানি ও অ্যামোনিয়া সলিউশন তৈরি করে।আর এভাপোরেটর হতে ঠান্ডা বাতাস ছড়িয়ে পড়ে।



  ভেপার এবজরপশন সিস্টেম ও ভেপার কম্প্রেশন সিস্টেম চিলার এর মধ্যে পার্থক্য 

ভেপার কম্প্রেশন সিস্টেম

১. যান্ত্রিক শক্তি প্রয়োগ করা হয় যা হাই গ্রেড এনার্জি। 

২. কপ বেশি

৩. বিদ্যুৎ ছাড়া চলে না

৪. কম্প্রেসর ব্যবহার হয়

৫. চলমান অংশ বেশি তাই ক্ষয় ও শব্দ বেশি।

৬. বেশি খরচ


ভেপার এবজরপশন  সিস্টেম

১. তাপ শক্তি প্রয়োগ করা হয় যা লো গ্রেড এনার্জি। 

২. বিদ্যুৎ ছাড়াও চালানো যায়।

৩. শব্দ ও ক্ষয় কম

৪. খরচ কম

৫. কম্প্রেসর নাও থাকতে পারে 

৬. কপ কম


ভেপার এবজরপশন রেফ্রিজারেশন সিস্টেম চিলার


Blogger দ্বারা পরিচালিত.